ছবিঃ ধামইরহাট প্রতিনিধি
ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধিঃ শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬
নওগাঁর ধামইরহাটে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে কৃষকের সরিষা কেটে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগী কৃষক তাৎক্ষনিকভাবে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করলে থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শণ করেন। ন্যায় বিচারের দাবীতে ধামইরহাট থানায় অভিযোগও দায়ের করেছেন। প্রভাবশালী প্রতিপক্ষ শুক্রবার প্রকাশ্য দিবালোকে এই ঘটনা ঘটায় বলে অভিযোগ করেন।
ধামইরহাট থানার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার রসুলবিল (রাঙ্গামাটি) এলাকার মৃত সাদেকুল ইসলামের ছেলে মাহিনুর রশিদ (৪১)দাতা দানেশ উদ্দিন চৌধুরী কর্তৃক ক্রয়কৃত জমির মালিক বটে। রসুলবিল মৌজার ২৬০ নম্বর খতিয়ানভুক্ত ৫২৩ দাগে ৩ একরের কাতে ২ একর সম্পত্তি ক্রয় করে দীর্ঘদিন ধরে ভোগ দখলে আছেন। প্রতিপক্ষ রসুলবিল দক্ষিন পাড়া গ্রামের প্রভাবশালী জব্বার চৌধুরীর ছেলে রেজুয়ান চৌধুরী ও জামাল চৌধুরী, রেজুয়ান চৌধুরীর ছেলে শুভ চৌধুরী, স্ত্রী মুসলেমা বেগম ও জামাল চৌধুরীর স্ত্রী নুরবানু বেগমদের সাথে দ্বন্দ চলমান এবং ১২৫পি/২৬ মোতাবেক প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে ১৪৪ ধারা বিদ্যমান। আদালতের এই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ৬ মার্চ (শুক্রবার) দিনের বেলায় প্রতিপক্ষ রেজুয়ান চৌধুরী গং জমিতে জোর পূর্বক রোপনকৃত সরিষা কেটে নেয় বলে বাদী মাহিনুর রশিদ অভিযোগে উল্লেখ করেন। ইতিপুর্বেও প্রতিপক্ষরা মাহিনুরের ও তার চাচাদের কলাবাগানের সম্পত্তি ২ লক্ষাধিক টাকা ক্ষতি করেছিল বলেও অভিযোগে জানানো হয়। বাদী মাহিনুর রশিদ বলেন, আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্বেও রেজুয়ান চৌধুরী গং জোর করে আমার সরিষা কেটে নিয়েছে, আমি ন্যায় বিচার চাই।’
তবে অভিযুক্ত মুসলেমা বেগম বলেন, ‘আমরাই ওই জমির মালিক, মামলায় আদালত কর্তৃক আমাদের জমি বুঝে দেওয়া হয়েছে, আর সরিষা যেহেতু আমরাই রোপন করেছি, তাই আমরা সেই সরিষা কর্তন করেছি। তবে আমরা অন্যের জমির সরিষা কর্তন করি নাই, আমাদের বিরুদ্ধে সকল অভিযোগ মিথ্যা।’
ধামইরহাট থানার ওসি মোখলেছুর রহমান বলেন, ‘অভিযোগের বিষয়টি আমার নলেজে নেই, অভিযোগ প্রাপ্তি সাপেক্ষে তদন্তপূর্বক দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ’
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মোঃ শামছুল আলম, সদর রোড, আমতলী, মিডিয়া লেন, জয়পুরহাট-৫৯০০
মোবাইলঃ ০১৭৩৫-২২১৬৬৪, ০১৯৯৩-৭৬৩৪৩৩, ই-মেইলঃ wjoypurkantha@gmail.com
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত