ছবিঃ জয়পুর কণ্ঠ
স্টাফ রিপোর্টারঃ ২৫ মার্চ ২০২৬
নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার শিহাড়া ইউনিয়নের আলপাকা গ্রামে অবস্থিত মসজিদের জায়গা নিয়ে বিরোধের জের ধরে মসজিদের দরজায় তালা দিয়ে রাখার ঘটনায় সৃষ্ট সংঘর্ষে দুইজন গুরুতর আহত হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটেছে গত সোমবার (২৩ মার্চ) বিকেলে। আহত শহিদুল ইসলাম ও জমিরুল ইসলাম নামের দুই সহোদর কে রাতেই সাপাহার সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে,পত্নীতলা উপজেলার শিহাড়া ইউনিয়নের আল পাকা গ্রামে মুসল্লীর সংখ্যা বৃদ্ধি হওয়ার কারনে মসজিদ বড় করে নির্মানের প্রয়োজন হয়। বন বিভাগের সরকারি সম্পত্তির উপর মসজিদটি থাকায় পাশের অন্য দখলদারগণের দখলীয় কিছু জমি মসজিদ কে ছেড়ে দিতে বললে কমিটির লোকজনের সাথে মতবিরোধ সৃষ্টি হয়।
ঘটনার দিন সাবেক ইউনিয়ন চেয়ারম্যান নওশাদ আলি ইউপি সদস্য উকিল উদ্দীনের নেতৃত্বে মসজিদ প্রাঙ্গনে আপোষ মিমাংসার জন্য বৈঠক বসে। বৈঠকে উভয় প্রতিপক্ষের মধ্য উত্তেজনা শুরু হয়। মসজিদ কমিটির পক্ষে শহিদুল ইসলাম ওই বেড়া সরাতে গেলে তাকে মারপিট করে প্রতিপক্ষ এ সময় তার ডাকচিৎকারে ছোট ভাই জমিরুল ঘটনাস্থলে গেলে তাকেও পিটিয়ে জখম করা হয়। আহতদের অভিযোগ নওশাদ চেয়ারম্যান ও উকিল মেম্বারের উপস্থিতিতে ও তাদের প্রকাশ্য মদদে সমিরুল ইসলাম, আঃ মালেক, হুমায়ন,শহিদুল ইসলাম ও মামুন তাদের উপর হামলা করে মসজিদের পায়খানার দরজা ভাংচুর সহ মসজিদে তালা লাগিয়ে দেয়। ঘটনার দিন সোমবার বাদ মাগরিব থেকে অদ্য পর্যন্ত ওই মসজিদে আযান ও নামাজের জামাত অনুষ্ঠিত হয়নি। হামলাকারিদের ভয়ে মুসল্লীগণ মসজিদে না গিয়ে নিজ নিজ বাড়িতে নামাজ আদায় করছে। এদিকে আহত শহিদুল ও তার ছোট ভাই জমিরুল কে গুরুত্বর আহত অবস্থায় পার্শ্ববর্তী সাপাহার হাসপাতালে ভর্তি করা হলে তারা সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান নওশাদ আলি জানান মসজিদ কমিটির অনুরোধে দুপক্ষের মধ্যে সৃষ্ট বিরোধ আপোষ মিমাংসা করার জন্য তিনি সহ এলাকার গণ্যমান্য লোকজন সেখানে গিয়েছিলেন। স্থানীয় ভাবে আবারো বিষয়টি আপোষ মীমাংসার চেষ্টা চলছে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত থানায় কোন অভিযোগ হয়নি। এলাকায় টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মোঃ শামছুল আলম, সদর রোড, আমতলী, মিডিয়া লেন, জয়পুরহাট-৫৯০০
মোবাইলঃ ০১৭৩৫-২২১৬৬৪, ০১৯৯৩-৭৬৩৪৩৩, ই-মেইলঃ wjoypurkantha@gmail.com
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত