ছবিঃ জয়পুর কণ্ঠ
মোঃ সাকিব ইসলাম পাঁচবিবি (জয়পুরহাট): ২৭ এপ্রিল ২০২৬
গতকার রবিবার সময় বিকেল ৪ টায় জয়পুরহাটের পাঁচবিবি রেলওয়ে স্টেশনে রূপসা, সীমান্ত ও নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রাবিরতির দাবিতে বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক (ডিজি) মোঃ আফজাল হোসেনের হাতে স্মারকলিপি প্রদান করেছেন গোলাম নবী।
রবিবার (২৬ এপ্রিল) বিকেল ৪ টার দিকে সরকারী সফরে মহাপরিচালক সান্তাহার থেকে গ্যাংকারযোগে পাঁচবিবি স্টেশনে পৌঁছালে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়ে মহাপরিচালকের হাতে স্মারকলিপি তুলে দেন পাঁচবিবিবাসীর পক্ষে গোলাম নবী। এর আগে স্থানীয়রা একটি ছোট্ট বাচ্চার লাল গেঞ্জি ও হাত নাড়িয়ে সংকেত দিলে ডিজির গ্যাংকারটি দাড়া করান।
স্মারকলিপি গ্রহণকালে মহাপরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আফজাল হোসেন বলেন,বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা হবে।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, বৃহত্তর পাঁচবিবি উপজেলাবাসী দীর্ঘদিন ধরে আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতির ক্ষেত্রে বৈষম্যের শিকার হয়ে আসছেন। পাঁচবিবি স্টেশন থেকে দক্ষিণাঞ্চল, বিশেষ করে খুলনাগামী কোনো আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতি নেই।
এতে আরও বলা হয়, মজলুম জননেতা মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর স্মৃতিবিজড়িত পাঁচবিবি উপজেলা উত্তরবঙ্গের অন্যতম বৃহৎ গোহাটি ও কাঁচামালের জন্য প্রসিদ্ধ। পার্শ্ববর্তী ধামইরহাট, পলাশবাড়ী, গোবিন্দগঞ্জ, ঘোড়াঘাট ও হাকিমপুর উপজেলার মানুষের জন্য পাঁচবিবি রেলওয়ে স্টেশন একটি গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগকেন্দ্র।
পাঁচবিবিবাসীর দাবি, এসব উপজেলার সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ উন্নত হওয়ায় বিপুলসংখ্যক মানুষ পাঁচবিবি স্টেশন ব্যবহার করে ট্রেনে যাতায়াত করে থাকেন। এছাড়া পাঁচবিবিতে একটি সরকারি অনার্স কলেজ, পাঁচটি বেসরকারি কলেজ, কৃষি ডিপ্লোমা ও কারিগরি প্রতিষ্ঠানসহ দুই শতাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
তবে পাঁচবিবি স্টেশনে রূপসা, সীমান্ত ও নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের আপ-ডাউন যাত্রাবিরতি না থাকায় শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, শিক্ষক, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ রেলসেবার সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এর ফলে সরকারও সম্ভাব্য বিপুল রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
এ পরিস্থিতিতে দ্রুত এসব আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতির দাবি জানিয়েছেন পাঁচবিবি উপজেলাবাসী।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মোঃ শামছুল আলম, সদর রোড, আমতলী, মিডিয়া লেন, জয়পুরহাট-৫৯০০
মোবাইলঃ ০১৭৩৫-২২১৬৬৪, ০১৯৯৩-৭৬৩৪৩৩, ই-মেইলঃ wjoypurkantha@gmail.com
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত