ছবিঃ জয়পুর কণ্ঠ
মিজানুর রহমান (বগুড়া) : ১৬ জুলাই ২০২৬
আদর্শের পথে অবিচল থেকে জীবনের কঠিনতম সময় পার করা বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার ময়দানহাট্টা ইউনিয়নের বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি, কারা নির্যাতিত লড়াকু ছাত্রনেতা মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফার (১৬ই জুলাই'২০২৬ইং) ৩২তম জন্মদিন আজ।
ময়দানহাট্টা ইউনিয়নের সাবেক দুইবারের সফল চেয়ারম্যান ও শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মাহবুব আলম মানিক এর দিকনির্দেশনায়,রাজনৈতিক অভিভাবক জননেতা মীর শাহে আলমের সার্বিক তত্ত্বাবধানে দীর্ঘ রাজনৈতিক লড়াই, কারাবরণ এবং চরম প্রতিকূলতার মধ্যেও নিজের নীতি ও আদর্শে অটল থেকে তিনি আজ নিজ এলাকার মানুষের কাছে এক অনুকরণীয় নাম।
মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা কেবল একজন ছাত্রনেতাই নন, তিনি তার পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করে আসছেন। গত সরকারের আমলে রাজনৈতিক কর্মসূচিতে সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং বিএনপির আদর্শের প্রতি অবিচল নিষ্ঠার কারণে তাকে জেল খাটতে হয়। জীবিকার তাগিদে চাকরিরত অবস্থায় থাকা সত্ত্বেও, পানিতলাহাট এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্ঠে বন্দি থাকা অবস্থায় তার পরিবার পড়েছিল চরম আর্থিক ও মানবিক সংকটে। কারণ, পরিবারের পাঁচ সদস্যের আহার জোগানোর একমাত্র মাধ্যম ছিলেন তিনি।
২০০৭ সালে ৭ম শ্রেণীতে লেখাপড়া করার সময় তার বাবার কাছে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ আর গল্প শুনে অনুপ্রাণিত হয়ে বিএনপি করার ইচ্ছে জাগে মনে, সেই থেকে শুরু,২০১৪ থেকে ২০১৬ জয়পুরহাট সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সদস্য,এরপর ময়দানহাট্টা ইউনিয়ন ছাত্রদলের যুগ্ন আহবায়ক।এরপর সিনিয়র সহসভাপতি , ময়দানহাট্টা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি,বর্তমানে সাবেক,ছাত্রদল ও বিএনপির রাজনীতি করতে গিয়ে আওয়ামিলীগের মিথ্যা গায়েবি মামলায় ২০২৩ সালের ২৮ শে অক্টোবর ঢাকায় বিএনপির মহাসমাবেশ পরবর্তী মিথ্যা গায়েবি মামলায় গ্রেফতার হয়ে টানা তিনমাস কারাগারে।
রাজনীতির দীর্ঘ পথচলায় বিএনপি করার কারণে পরিবার হয়েছে ক্ষতিগ্রস্ত,পরিবারের মানুষ গুলো হয়েছে হয়রানির শিকার,গ্রাজুয়েট কমপ্লিট করলেও হয়নি কোনো সরকারি চাকরি, শুধু ছাত্রদল করার কারণে,বর্তমান মাননীয় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের নির্দেশে প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে সরব থেকেছেন রাজপথ ও সোশ্যাল মিডিয়ায়। তার ফেসবুক আইডিতে গিয়ে দেখা যায় বিএনপির জন্য বিএনপির অনলাইন এক্টিভিটিস হিসেবে এখন পর্যন্ত ফেসবুকে ৩৩ হাজারের ও বেশি পোস্ট করেছেন।
আজ ৩২ তম জন্মবার্ষিকী মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফার এই দুর্দিন ও কারাবন্দি অবস্থায় তার অসহায় পরিবারের পাশে ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে। তিনি আলম পরিবারের খোজখবর নিয়েছেন ও জামিন করিয়েছেন।রাজনৈতিক অভিভাবক হিসেবে ময়দানহাট্টা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মাহবুব আলম মানিক এবং জননেতা মীর শাহে আলম সেই কঠিন সময়ে তার পরিবারের অভিভাবক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাদের এই মানবিক সহায়তা মোস্তফার পরিবারের জন্য ছিল এক বড় আশ্রয়। রাজনৈতিক মতাদর্শের ঊর্ধ্বে উঠে মানুষের এই পাশে দাঁড়ানোর বিষয়টি আজও এলাকায় প্রশংসিত।
৩২তম জন্মদিনে এসে মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা স্মরণ করছেন সেই অগ্নিঝরা দিনগুলোর কথা। তিনি কৃতজ্ঞতা জানান সেই সকল শুভাকাঙ্ক্ষী ও নেতাদের প্রতি, যারা তার অনুপস্থিতিতে তার পরিবারের খোঁজ নিয়েছেন। জন্মদিনের এই বিশেষ দিনে শুভাকাঙ্ক্ষীরা তার সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু এবং রাজনৈতিক কর্মজীবনে আরও সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার শুভকামনা জানিয়েছেন। মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা জানিয়েছেন, তিনি তার জীবনের বাকি সময়টুকু মানুষের সেবা এবং দলের আদর্শ বাস্তবায়নে উৎসর্গ করতে চান।অভাব-অনটন ও কারাবরণের কঠিন পথ পাড়ি দিয়েও যিনি নিজ অবস্থানে অটল, সেই মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফার সাহসিকতা ও ত্যাগের গল্প নতুন প্রজন্মের কাছে অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মোঃ শামছুল আলম, সদর রোড, আমতলী, মিডিয়া লেন, জয়পুরহাট-৫৯০০
মোবাইলঃ ০১৭৩৫-২২১৬৬৪, ০১৯৯৩-৭৬৩৪৩৩, ই-মেইলঃ wjoypurkantha@gmail.com
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত