ব্যালটের লড়াইয়ে টানটান উত্তেজনা
প্রতিনিধির নাম :
-
প্রকাশিত:
রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
-
২
বার পড়া হয়েছে

জয়পুরহাট-১ এ মুখোমুখি বিএনপি–জামায়াত
বিশেষ প্রতিবেদনঃ ৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
উত্তরবঙ্গের রাজনীতিতে জয়পুরহাট-১ (সদর ও পাঁচবিবি) আসন বরাবরই একটি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। ২০২৬ সালের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এই আসনে তৈরি হয়েছে এক অভূতপূর্ব রাজনৈতিক সমীকরণ। দীর্ঘদিনের বিএনপির প্রভাব, সংগঠিতভাবে শক্তি বাড়ানো জামায়াতে ইসলামী এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীর অপ্রত্যাশিত উত্থান—সব মিলিয়ে জয়পুরহাট-১ এখন উত্তরবঙ্গের সবচেয়ে আলোচিত ও উত্তেজনাপূর্ণ আসনগুলোর একটি।
ভোটার সংখ্যা বৃদ্ধি, নারী ভোটারদের আধিক্য, তরুণদের পরিবর্তনমুখী মনোভাব এবং সীমান্তঘেঁষা এলাকার বিশেষ বাস্তবতা—সবকিছু মিলিয়ে এবারের নির্বাচন শুধু দলীয় নয়, বরং ব্যক্তি ইমেজ ও বিশ্বাসযোগ্যতার পরীক্ষাও বটে।



নির্বাচনী বিশ্লেষণঃ
জয়পুরহাট-১ আসনে কার পাল্লা ভারী?
প্রার্থীর প্রোফাইল ও বর্তমান মাঠের চিত্র
বিএনপি (ধানের শীষ): জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ রানা প্রধান। তিনি সাবেক সংসদ সদস্য মরহুম মোজাহার আলী প্রধানের পুত্র। বাবার জনপ্রিয়তাকে পুঁজি করে এবং বিএনপির দীর্ঘদিনের শক্ত ঘাঁটি পুনরুত্থানের লক্ষ্যে তিনি বিরামহীন প্রচারণা চালাচ্ছেন।
জামায়াতে ইসলামী (দাঁড়িপাল্লা): জেলা আমীর ও কেন্দ্রীয় মজলিস শুরার সদস্য ফজলুর রহমান সাঈদ। জামায়াত এখানে সুশৃঙ্খল ক্যাডার ভিত্তিক রাজনীতির মাধ্যমে তাদের অবস্থান অনেক শক্তিশালী করেছে। স্থানীয় পর্যায়ে এবার তাদের “ভূমিধস বিজয়ের” গুঞ্জন বেশ জোরালো।
স্বতন্ত্র (ঘোড়া): সাবেক পাঁচবিবি উপজেলা চেয়ারম্যান সাবেকুন নাহার শিখা। নারী ভোটারদের মধ্যে তার ব্যাপক জনপ্রিয়তা এবং তৃণমূল পর্যায়ে কাজের অভিজ্ঞতা তাকে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দাঁড় করিয়েছে। অনেকেই তাকে নির্বাচনের ‘ডার্ক হর্স’ মনে করছেন।
আয়তন ও ভৌগোলিক গুরুত্ব
অন্তর্ভুক্ত এলাকাঃ জয়পুরহাট সদর উপজেলা ও পাঁচবিবি উপজেলা। আসন নম্বর: ৩৪ (জয়পুরহাট-১)। এটি ভারত সীমান্তবর্তী জেলা হওয়ায় সীমান্ত বাণিজ্য এবং কৃষিনির্ভর অর্থনীতির জন্য আসনটি জাতীয় রাজনীতিতে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।
ভোটার সংখ্যার পরিসংখ্যান (১৯৯১ – ২০২৬)
সময়ের সাথে সাথে এই আসনে ভোটার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। নিচে ঐতিহাসিক তথ্যচিত্র দেওয়া হলোঃ
নির্বাচনের সাল মোট ভোটার (প্রায়) মন্তব্য
১৯৯১ ২,৩৩,০০০ বিএনপি জয়ী (গোলাম রব্বানী)
১৯৯৬ ২,৫১,০০০ বিএনপি জয়ী (আব্দুল আলীম)
২০০১ ২,৮২,০০০ বিএনপি জয়ী (আব্দুল আলীম)
২০০৮ ৩,২৭,০০০ বিএনপি জয়ী (মোজাহার আলী প্রধান)
২০১৮ ৩,৯৯,২৪৫ তৎকালীন শাসক দলের অধীনে নির্বাচন
২০২৬ (বর্তমান) ৪,৬৬,২৭৪ পুরুষ
বিএনপির দুর্গ বনাম জামায়াতের উত্থানঃ
১৯৯১ থেকে ২০০৮ পর্যন্ত প্রতিটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনে এই আসনে বিএনপি টানা জয়লাভ করেছে। তবে প্রতিটি নির্বাচনেই জামায়াতে ইসলামীর একটি নির্দিষ্ট ‘ভোট ব্যাংক’ লক্ষ্য করা গেছে।
১৯৯১ সালে বিএনপির গোলাম রব্বানী জামায়াতের আব্বাস আলী খানকে হারিয়েছিলেন মাত্র কয়েক হাজার ভোটের ব্যবধানে।
২০২৬-এর পরিস্থিতিঃ
এবার যেহেতু আওয়ামী লীগের সেই চিরাচরিত প্রভাব নেই, তাই লড়াইটা মূলত আদর্শিক এবং ব্যক্তি ইমেজের ওপর ভিত্তি করে বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যেই সীমাবদ্ধ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। তবে স্বতন্ত্র প্রার্থীর ঘোড়া মার্কা যদি বিএনপির বা জামায়াতের ভোট ব্যাংকে ফাটল ধরাতে পারে, তবে ফলাফল চমকপ্রদ হতে পারে।
জয়পুরহাটের রাজনীতিতে পাঁচবিবি উপজেলার ইউনিয়ন এবং পৌরসভা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর। বিশেষ করে সীমান্তঘেঁষা ইউনিয়নগুলোর ভোটাররা সাধারণত অনেক বেশি রাজনৈতিক সচেতন এবং প্রার্থীর ব্যক্তিগত ইমেজের ওপর গুরুত্ব দেন।
পাঁচবিবি পৌরসভা (শহরের প্রাণকেন্দ্র)
পৌরসভার ভোটাররা মূলত উন্নয়ন এবং আধুনিক নাগরিক সুবিধার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন। এখানকার তরুণ ও শিক্ষিত ভোটারদের মধ্যে জামায়াত নেতা ফজলুর রহমান সাঈদের পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি নিয়ে বেশ আলোচনা আছে। অন্যদিকে দীর্ঘদিনের দলীয় সমর্থকরা মাসুদ রানা প্রধানের মাধ্যমে বিএনপির ঐতিহ্য ধরে রাখতে আগ্রহী। তবে সাবেকুন নাহার শিখা যেহেতু সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান, পৌরসভার নারী ভোটারদের একটি বড় অংশ তাকে ব্যক্তিগতভাবে চেনেন, যা তাকে এগিয়ে রাখতে পারে।
কুসুম্বা ইউনিয়নঃ
কুসুম্বা ইউনিয়নটি রাজনৈতিকভাবে সব সময়ই বেশ উত্তপ্ত থাকে। এখানে বিএনপির একটি শক্তিশালী সাংগঠনিক ভিত্তি আছে। মাসুদ রানা প্রধানের বাবা মরহুম মোজাহার আলী প্রধানের সময়কার পুরনো সমর্থকরা এখানে ধানের শীষের বড় শক্তি। তবে সাম্প্রতিক সময়ে এখানে জামায়াতের সামাজিক কর্মকাণ্ড এবং ফজলুর রহমান সাঈদের গণসংযোগ সাধারণ ভোটারদের মনে দাগ কাটছে।
মোহাম্মদপুর ইউনিয়নঃ
মোহাম্মদপুর ইউনিয়নে সাধারণত প্রার্থীর আত্মীয়তার সম্পর্ক ভোটে বড় প্রভাব ফেলে। স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেকুন নাহার শিখার বড় একটি অনুসারী গোষ্ঠী রয়েছে। তবে বিএনপি এবং জামায়াত দুই দলই এখানে তাদের ভোট ব্যাংক ধরে রাখার জন্য জোরালো প্রচারণা চালাচ্ছে। এখানকার ভোটাররা বলছেন, “ব্যক্তির চেয়ে মার্কা বড়, আবার মার্কার চেয়ে ব্যক্তি বড়”—এমন দ্বিমুখী লড়াই এখানে হবে।
বাগজানা ইউনিয়নঃ
সীমান্তবর্তী ইউনিয়ন হওয়ায় বাগজানার ভোটারদের প্রধান ইস্যু হলো এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা এবং সীমান্ত সমস্যা সমাধান। এখানকার সাধারণ কৃষক ও শ্রমজীবী মানুষরা মনে করেন, যার মাধ্যমে তারা শান্তিতে বসবাস করতে পারবেন, তাকেই ভোট দেবেন। ফজলুর রহমান সাঈদ তার বক্তব্যে নৈতিকতা ও ইনসাফের কথা বলে এই এলাকার ধর্মীয় মূল্যবোধ সম্পন্ন ভোটারদের টানছেন। অন্যদিকে, মাসুদ রানা ধানের শীষের প্রতীক নিয়ে এখানকার পুরনো রাজনৈতিক আবেগ কাজে লাগানোর চেষ্টা করছেন।
আওলাই ইউনিয়নঃ
আওলাই ইউনিয়নে কৃষিনির্ভর জনসংখ্যা বেশি। এখানকার ভোটারদের বড় অংশ বর্তমানে সারের দাম, সেচ ব্যবস্থা এবং কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য নিয়ে চিন্তিত। তারা এমন একজন কান্ডারী চান যিনি সরাসরি তাদের পাশে দাঁড়াবেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী ঘোড়া মার্কা এখানে ‘পরিবর্তনের প্রতীক’ হিসেবে প্রচার চালাচ্ছে, যা নিরপেক্ষ ভোটারদের মধ্যে কিছুটা প্রভাব ফেলছে। তবে মূল লড়াই ধানের শীষ ও দাঁড়িপাল্লার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকার সম্ভাবনা বেশি।
বিএনপিঃ
সাংগঠনিক শক্তি এবং ধানের শীষের প্রতি মানুষের পুরনো আবেগই তাদের প্রধান পুঁজি।
জামায়াতঃ
দীর্ঘদিনের নীরব কর্মতৎপরতা এবং শৃঙ্খলার কারণে তারা একটি বিশাল তরুণ ভোটার ও ধর্মপ্রাণ মানুষের সমর্থন পাওয়ার আশা করছে।
স্বতন্ত্র শিখাঃ
তার নারী নেতৃত্ব এবং তৃণমূল পর্যায়ে মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকার রেকর্ড তাকে জয়ের দৌড়ে শক্ত অবস্থানে রেখেছে।
জয়পুরহাট সদর উপজেলার এই ইউনিয়নগুলো বম্বু, আমদই, পুরানাপৈল, দোগাছি ও জামালপুর এবং পৌরসভা এলাকা মূলত এই আসনের জয়ের চাবিকাঠি। সদর উপজেলার এই বেল্টটি রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত সচেতন এবং প্রতিটি ইউনিয়নের নিজস্ব কিছু সমীকরণ রয়েছে।
জয়পুরহাট পৌরসভাঃ
পৌর এলাকার ভোটাররা এবার মূলত ‘পরিবর্তন’ এবং ‘নাগরিক সুবিধা’—এই দুটি বিষয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন।
বিএনপিঃ মাসুদ রানা প্রধানের জন্য পৌরসভা একটি বড় শক্তির জায়গা। এখানে বিএনপির বিশাল কর্মী বাহিনী রয়েছে।
জামায়াতঃ ফজলুর রহমান সাঈদের ক্লিন ইমেজ এবং জামায়াতের সুশৃঙ্খল প্রচার কৌশল শহরের শিক্ষিত ও তরুণ ভোটারদের মধ্যে বেশ সাড়া ফেলেছে।
স্বতন্ত্রঃ সাবেকুন নাহার শিখা নারী নেত্রী হিসেবে পৌর এলাকার নারী ভোটারদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ নিজের দিকে টানার চেষ্টা করছেন।
বম্বু ও আমদই ইউনিয়নঃ
এই দুটি ইউনিয়ন কৃষিপ্রধান এবং এখানে গ্রামীণ ভোটারদের আধিপত্য বেশি। এখানে রয়েছে বাংলাদেশ বিখ্যাত ৩টি কামিল মাদ্রাসা। এখানকার ভোটাররা প্রার্থীর সহজলভ্যতা এবং সুখে-দুঃখে পাশে থাকার বিষয়টি দেখছেন। বম্বু ইউনিয়নে বিএনপির আদি আধিপত্য থাকলেও জামায়াত তাদের সামাজিক কাজের মাধ্যমে নতুন ভোটারদের মাঝে জায়গা করে নিচ্ছে।
আমদই ইউনিয়নে লড়াইটা হবে মূলত প্রতীক বনাম ব্যক্তি ইমেজের। এখানকার ভোটারদের বড় একটি অংশ এখনো ‘ধানের শীষ’ বলতে পাগল, তবে জামায়াতের ‘দাঁড়িপাল্লা’ এবার সেখানে বড় চ্যালেঞ্জ।
পুরানাপৈল ইউনিয়নঃ
পুরানাপৈল এলাকাটি জয়পুরহাট সদর ও শহরের বেশ কাছাকাছি হওয়ায় এখানকার ভোটারদের মাঝে রাজনৈতিক উত্তাপ সবসময়ই বেশি থাকে।
এখানে বিএনপির অভ্যন্তরীণ মেরুকরণ ভোটের ফলে প্রভাব ফেলতে পারে। জামায়াত এখানে খুবই সংগোপনে তাদের নেটওয়ার্ক তৈরি করেছে, যা নির্বাচনের দিন ‘সাইলেন্ট ভোটার’ হিসেবে কাজ করতে পারে। স্বতন্ত্র প্রার্থী শিখা এখানে তার ব্যক্তিগত নেটওয়ার্ক কাজে লাগিয়ে চমক দেখানোর চেষ্টা করছেন।
দোগাছি ও জামালপুর ইউনিয়নঃ
এই এলাকাগুলো জয়পুরহাট সদর আসনের সীমানা নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখে।
দোগাছি ইউনিয়নে আদি থেকেই বিএনপির ভোট ব্যাংক বেশ মজবুত। জামায়ত নেতার এই এলাকায় বাড়ী হওয়ায় এখানে বড় সুবিধা নিচ্ছে।
জামালপুর ইউনিয়নে জামায়াতের অবস্থান আগের চেয়ে অনেক বেশি সুসংহত। বিশেষ করে ধর্মীয় মূল্যবোধ সম্পন্ন ভোটারদের মাঝে ফজলুর রহমান সাঈদ বেশ জনপ্রিয়।
এখানকার ভোটাররা বলছেন, “ভোট দেব তাকেই, যাকে প্রয়োজনে কাছে পাব।”
ভোটারদের প্রধান যে ৩টি ইস্যু কাজ করছেঃ
ব্যক্তি ইমেজঃ
মাসুদ রানার পারিবারিক ঐতিহ্য বনাম ফজলুর রহমান সাঈদের ক্লিন ইমেজ।
তরুণ ভোটারঃ
১৮-২৫ বছর বয়সী নতুন ভোটাররা চিরাচরিত দলীয় আনুগত্যের চেয়ে প্রার্থীর যোগ্যতা বেশি দেখছেন।
নারী ভোটঃ
এই আসনে নারী ভোটারদের সংখ্যা বেশি হওয়ায় সাবেকুন নাহার শিখার ‘ঘোড়া’ মার্কা বড় দলগুলোর দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সার কথাঃ
জয়পুরহাট-১ এর ভোটাররা এবার নীরব। তারা উন্নয়নের পাশাপাশি একজন সৎ ও সাহসী কান্ডারী খুঁজছেন। ধানের শীষের ঐতিহ্য, দাঁড়িপাল্লার সম্ভাবনা নাকি ঘোড়া মার্কার চমক।
জয়পুরহাট সদরের এই ইউনিয়নগুলোতে বর্তমানে বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে লড়াইটা এখন সমানে সমান। তবে স্বতন্ত্র প্রার্থী শিখা যদি দোগাছি বা আমদইয়ের মতো জায়গায় ভোট কাটতে পারেন, পরিমানে বেশী হলে মূল দুই দলের হিসাব নিকাশ ওলটপালট হয়ে যেতে পারে।
সব মিলিয়ে জয়পুরহাট-১ আসনের লড়াই এখনো পুরোপুরি খোলা। বিএনপি তাদের ঐতিহ্য ও সাংগঠনিক শক্তির ওপর ভর করে ঘুরে দাঁড়াতে চাইছে। জামায়াতে ইসলামী দীর্ঘদিনের নীরব কিন্তু সুসংগঠিত মাঠপর্যায়ের কাজের সুফল ঘরে তুলতে মরিয়া। আর স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেকুন নাহার শিখা নারী ভোট ও তৃণমূল সংযোগকে পুঁজি করে মূল দুই দলের ভোট ব্যাংকে ফাটল ধরানোর চেষ্টা চালাচ্ছেন।
এই আসনের ভোটাররা এবার আবেগ নয়, হিসাব কষেই ভোট দেওয়ার মানসিকতায় রয়েছেন। উন্নয়ন, নিরাপত্তা, সৎ নেতৃত্ব এবং কাছে পাওয়ার মতো একজন প্রতিনিধিই তাদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ধারণ করবে। শেষ পর্যন্ত ধানের শীষের ঐতিহ্য টিকে থাকবে, দাঁড়িপাল্লার উত্থান ইতিহাস বদলাবে নাকি ঘোড়া মার্কা এনে দেবে বড় কোনো চমক—তার উত্তর মিলবে ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এর ব্যালট বাক্সেই।
Like this:
Like Loading...
Related
আরো সংবাদ পড়ুন