1. wjoypurkantha@gmail.com : জয়পুর কণ্ঠ : জয়পুর কণ্ঠ
  2. info@www.joypurkantha.com : জয়পুর কণ্ঠ :
বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কালাইয়ে ইসলামী ব্যাংকে আর্থিক স্বাক্ষরতা বিষয়ক গ্রাহক ও সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত  রংপুরে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন চোখে আলো নেই, তবু স্বপ্নে দীপ্ত শরীফ কালাইয়ে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন ১৫৩৪ জন শিক্ষার্থী নওগাঁর নিয়ামতপুরে একই পরিবারের ৪ জনকে গলা কেটে হত্যা ৷৷ নিহতদের মধ্যে ৩ বছরের শিশু দেশের ১৩তম সিটি করপোরেশন বগুড়া: নতুন ইতিহাসের সূচনা কালাইয়ে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে সংঘর্ষ, আহত ৪ জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হামের টিকাদান কর্মসূচি উদ্বোধন নওগাঁয় হাম টিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু নওগাঁয় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ, প্রতিবাদে পাল্টাপাল্টি মানববন্ধন

জয়পুরহাট-১ ত্রিমুখী লড়াইয়ের আভাস ৷৷ শিখার ‘স্বতন্ত্র’ দাপটে চাপে বিএনপি-জামায়াত

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ১১৭ বার পড়া হয়েছে

ছবিঃ জয়পুর কণ্ঠ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ৩১ জানুয়ারী ২০২৬
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার রাজনৈতিক সমীকরণ নাটকীয় মোড় নিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে এই জনপদে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর মধ্যকার দ্বিমুখী লড়াইয়ের যে ঐতিহ্য ছিল, তাতে বড় ধরনের ধাক্কা দিয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ও সদ্য বিদায়ী উপজেলা চেয়ারম্যান সাবেকুন নাহার শিখা। তাঁর আকস্মিক পদক্ষেপে ভোটকেন্দ্রে এখন ‘তিন ঘোড়ার দৌড়’ শুরু হয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয় ভোটাররা।

ভোটের মাঠে শিখা ফ্যাক্টর

স্থানীয় সূত্রমতে, সাবেকুন নাহার শিখা কেবল একজন নতুন মুখ নন, বরং গত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে তিনি নিজের জনপ্রিয়তার প্রমাণ দিয়েছেন। তৃণমূল পর্যায়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে তাঁর সরাসরি যোগাযোগ এবং জনপ্রতিনিধি হিসেবে তাঁর গ্রহণযোগ্যতা বিএনপি ও জামায়াত—উভয় শিবিরের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে। বিশেষ করে দলীয় আনুগত্যের বাইরে থাকা ‘ফ্লোটিং ভোটার’ বা যারা প্রার্থীর ব্যক্তিগত ইমেজ দেখে ভোট দেন, তাদের বড় অংশ শিখার দিকে ঝুঁকে পড়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

চাপে হেভিওয়েট প্রার্থীরা

এই আসনে বিএনপি থেকে লড়ছেন জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ রানা এবং জামায়াতে ইসলামীর হয়ে লড়ছেন জেলা আমীর ফজলুর রহমান সাঈদ। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, শিখা মাঠে নামার আগে লড়াইটা ছিল মূলত দলীয় ভোটব্যাংক রক্ষার। কিন্তু এখন পরিস্থিতি ভিন্ন। শিখা যদি বিএনপির ভোটব্যাংকে থাবা বসান, তবে সুবিধা পাবে জামায়াত; আর যদি জামায়াতের ভোট ভাগ হয়, তবে লাভবান হবে বিএনপি। কিন্তু শিখা যদি উভয় দলের অসন্তুষ্ট কর্মী-সমর্থক ও সাধারণ ভোটারদের এক করতে পারেন, তবে তিনিই হয়ে উঠতে পারেন এই আসনের ‘ডার্ক হর্স’।

কর্মীদের ভাবনা

উপজেলার বিভিন্ন বাজার ও চায়ের দোকানে এখন আলোচনার মূল কেন্দ্রবিন্দু নির্বাচনী এই ত্রিমুখী লড়াই। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক স্থানীয় কর্মী জানান, “আগে হিসাব ছিল সোজা, এক দলের সাথে অন্য দলের টেক্কা। এখন শিখা আপা আসায় হিসাব জটিল হয়ে গেছে। কে কার ভোট কাটবে, তা নিয়ে কর্মীরাই এখন দ্বিধাদ্বন্দ্বে।”

শেষ কথা

পাঁচবিবির রাজনীতিতে এই নতুন ‘উত্তাপ’ শেষ পর্যন্ত ব্যালট বাক্সে কী প্রতিফলন ঘটায়, সেটিই এখন দেখার বিষয়। দলীয় শক্তিমত্তা বনাম ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তার এই লড়াইয়ে শেষ হাসি কে হাসবেন, তা জানতে অপেক্ষা করতে হবে নির্বাচনের দিন পর্যন্ত।

Leave a Reply

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিতঃ জয়পুর কণ্ঠ
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট