
ছবিঃ জয়পুর কণ্ঠ
নিজস্ব প্রতিবেদক (জয়পুরহাট)
আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলায় বইছে আগাম নির্বাচনী হাওয়া। এই নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে তরুণ প্রজন্মের প্রতিনিধি হিসেবে নতুন মাত্রা যোগ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্র ফার্মাসিস্ট এম.এবি. হামিম। একজন উচ্চশিক্ষিত ও দক্ষ পেশাদার হিসেবে তার প্রার্থিতার খবর ইতোমধ্যে উপজেলার সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল ও উদ্দীপনার সৃষ্টি করেছে।
তারুণ্যের জয়গান ও নতুন নেতৃত্বঃ
ক্ষেতলাল উপজেলার রাজনীতির মাঠে নতুন প্রজন্মের কর্ণধার হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন এম.এবি. হামিম। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি.ফার্ম ও এম.এস ডিগ্রিধারী এই তরুণ কেবল মেধাবীই নন, বরং তার কর্মদক্ষতা ও মার্জিত আচরণ দিয়ে এলাকার তরুণ সমাজের কাছে আইকন হয়ে উঠেছেন। স্থানীয়রা মনে করছেন, একজন বিশেষজ্ঞ ফার্মাসিস্ট যখন জনপ্রতিনিধি হওয়ার স্বপ্ন দেখেন, তখন জনস্বাস্থ্য ও সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়নে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়।
প্রার্থীর বক্তব্যঃ
নিজের প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে এম.এবি. হামিম বলেন:
“আমি এই মাটির সন্তান। আধুনিক বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে আমাদের ক্ষেতলালকে একটি উন্নত ও মাদকমুক্ত উপজেলা হিসেবে গড়ে তোলাই আমার প্রধান লক্ষ্য। উচ্চশিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিয়ে জনসেবাকে মূল ব্রত হিসেবে নিয়ে আমি আপনাদের পাশে দাঁড়াতে চাই। আসন্ন নির্বাচনে আমি আপনাদের সবার দোয়া ও সমর্থন কামনা করছি।”
ভোটারদের প্রতিক্রিয়াঃ
ক্ষেতলালের সচেতন ভোটাররা বলছেন, সনাতনী রাজনীতির বাইরে একজন শিক্ষিত ও সজ্জন ব্যক্তিকে চেয়ারম্যান হিসেবে পাওয়া হবে সময়ের দাবি। বিশেষ করে তরুণ ভোটারদের মধ্যে হামিমকে নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ দেখা যাচ্ছে।
উচ্চশিক্ষিত এই তরুণ কর্ণধার শেষ পর্যন্ত নির্বাচনী মাঠে কতটা প্রভাব ফেলবেন, তা নিয়ে এখন সরগরম চায়ের টেবিল থেকে রাজনৈতিক মাঠ। তবে তারুণ্যের এই জোয়ার ক্ষেতলালের রাজনীতিতে যে নতুন এক মাত্রা যোগ করেছে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।