1. wjoypurkantha@gmail.com : জয়পুর কণ্ঠ : জয়পুর কণ্ঠ
  2. info@www.joypurkantha.com : জয়পুর কণ্ঠ :
শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৭:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ফার্মাসিস্ট হামিমের প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা: বইছে পরিবর্তনের হাওয়া ৫১৯ বছরে পা রাখছে গোপীনাথপুরের ঐতিহ্যবাহী মেলা: ৩ মার্চ শুরু ধামইরহাটে মসজিদের গেট নির্মানে বাধা ৷৷ সেনাবাহিনীর সার্জেন্ট আহত আলুর দাম বৃদ্ধি ও কৃষি খাতের উন্নয়নে জোরালো উদ্যোগের ঘোষণা প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারীর নওগাঁর মহাদেবপুরে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে, ফজলেহুদা বাবুল ধামইরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক সংকট কাটছে ৷৷ একযোগে যোগ দিলেন ৭ নতুন চিকিৎসক পাঁচবিবি সীমান্তে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, পুড়ে ছাই ৫টি বসতঘর ধামইরহাট বরেন্দ্র প্রেস ক্লাবের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন ধামইরহাট এম.পি এনামুল হক কর্তৃক পৌরসভার গুরুত্বপুর্ণ রাস্তার আরসিসি কাজের উদ্বোধন বগুড়া-৬ আসনের উপ-নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে জামায়াত

৫১৯ বছরে পা রাখছে গোপীনাথপুরের ঐতিহ্যবাহী মেলা: ৩ মার্চ শুরু

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ০ বার পড়া হয়েছে

ছবিঃ জয়পুর কণ্ঠ

নিজস্ব প্রতিবেদক, জয়পুরহাটঃ ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

উত্তরবঙ্গের অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার গোপীনাথপুর দোল পূর্ণিমার মেলা আগামী ৩ মার্চ থেকে শুরু হতে যাচ্ছে। এ বছর মেলাটি ৫১৯ বছরে পদার্পণ করছে। ৫১৯ বছরের এই দীর্ঘ পথচলায় মেলাটি কেবল হিন্দু সম্প্রদায়ের দোল উৎসবের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং এটি পরিনত হয়েছে সর্বজনীন এক গ্রামীণ মিলনমেলায়।

সরেজমিনে দেখা গেছে, মেলা প্রাঙ্গণে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি। প্রায় ২০০ একর এলাকাজুড়ে মেলার প্যান্ডেল, দোকানপাট এবং বিভিন্ন বিনোদনমূলক রাইড স্থাপনের কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। দোকানিরা তাদের পণ্যের পসরা সাজাতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। মেলা উপলক্ষে গোপীনাথপুর মন্দির কমিটি এবং স্থানীয় প্রশাসন নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলার বিষয়ে বিশেষ জোর দিয়েছে।

এই মেলার প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো উত্তরবঙ্গের বৃহত্তম ঘোড়ার হাট। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে উন্নত জাতের ঘোড়া কেনাবেচার জন্য ব্যবসায়ীরা এখানে সমবেত হন। এছাড়াও মেলায় গরু, মহিষ ও অন্যান্য গবাদি পশুর বড় হাট বসে। গ্রামীণ আসবাবপত্র, হাতে তৈরি খেলনা, মিষ্টি এবং হরেক রকমের ঘরকন্না সামগ্রী মেলার প্রধান আকর্ষণ।

ইতিহাস থেকে জানা যায়, ১৪৯২-১৫৩৫ সালের দিকে বাংলার সুলতান আলাউদ্দিন হোসেন শাহ এই এলাকায় এসে সাধক নন্দিনী প্রিয়ার আতিথেয়তায় মুগ্ধ হয়ে প্রায় ৬০৪ একর জমি দেবোত্তর হিসেবে দান করেছিলেন। সেই সময় থেকেই এখানে দোল পূর্ণিমা উপলক্ষে এই আনন্দ উৎসবের সূচনা হয়।

Leave a Reply

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিতঃ জয়পুর কণ্ঠ
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট