1. wjoypurkantha@gmail.com : জয়পুর কণ্ঠ : জয়পুর কণ্ঠ
  2. info@www.joypurkantha.com : জয়পুর কণ্ঠ :
বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ০৬:১৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জয়পুরহাটে বাজার স্থিতিশীল রাখতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান জয়পুরহাট পৌরসভার শ্রমিকদের ৪ দফা দাবিতে মানববন্ধন ধামইরহাটে ব্র্যাকের সমন্বিত উন্নয়ন কর্মসূচির অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত গাইবান্ধা-র গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোর নিখোঁজ ৷৷ অপহরণের অভিযোগে থানায় মামলা রাতের অন্ধকারে চলছে মাটি বাণিজ্য ৷৷ নওগাঁয় টেন্ডারবিহীন খননে তোলপাড় ঢাকায় সরকারি তিতুমীর কলেজ-এ জয়পুরহাট জেলা ছাত্র কল্যাণ পরিষদের নতুন কমিটি ঘোষণা শিক্ষা ও সমাজসেবায় অবদানের স্বীকৃতি ৷৷ নওগাঁয় অধ্যক্ষ রেজভীকে জাগো ফাউন্ডেশনের সম্মর্ধনা সাপাহারে স্কুলছাত্রীর কানের দুল ছিনতাই, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার নামের মিলেই বিপত্তি ৷৷ জয়পুরহাটের কালাইয়ে ১৫ ঘণ্টা থানার লকাপে মোটরসাইকেল মেকানিক ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ ঘিরে ভয়াবহ ঘটনা ৷৷ ক্ষেতলালে লিঙ্গ কর্তন

নতুন ভোটারেই ভাগ্য নির্ধারণ ৷৷ শিখা ফ্যাক্টরে পাল্টাচ্ছে জয়পুরহাট ১

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ৪৬ বার পড়া হয়েছে

বিএনপি ঘাঁটিতে জামায়াত প্রার্থীর শক্ত অবস্থান ৷৷ ৩০ শতাংশ নতুন ভোটারই ‘গেম চেঞ্জার’

এ্যাডভোকেট মোঃ শামছুল আলমের কলাম

জয়পুরহাট–১ (সদর ও পাঁচবিবি) আসন দীর্ঘদিন ধরেই বিএনপি-জামায়াতের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। বিশেষ করে ১৯৯১ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত টানা সময়জুড়ে এ আসনে বিএনপির আধিপত্য ছিল চোখে পড়ার মতো। সেই সঙ্গে জামায়াতের একটি সুসংগঠিত ভোটব্যাংকও বরাবরই নির্বাচনী সমীকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

অতীতের নির্বাচনী তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, এই আসনে জামায়াতের ভোটার প্রায় ২০ শতাংশ। বর্তমানে এ আসনের মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৬৬ হাজার ২৭৪ জন। এর মধ্যে ২০০৮ সালের পর জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট দেওয়ার সুযোগ পাননি—এমন নতুন ভোটারের সংখ্যা প্রায় ১ লাখ ৩৮ হাজার ৪৮৬ জন, যা মোট ভোটারের প্রায় ৩০ শতাংশ। এছাড়া পোস্টাল ভোটার রয়েছেন আনুমানিক সাড়ে সাত হাজার। এই বিপুল নতুন ভোটারই এবারের নির্বাচনে ‘গেম চেঞ্জার’ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

এরই মধ্যে নির্বাচনী অঙ্কে নতুন মাত্রা যোগ করেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেকুন নাহার শিখা। আপিলে প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার পর থেকেই বিএনপি-জামায়াত সমর্থিত প্রার্থীর শিবিরে শুরু হয়েছে অস্বস্তি ও চাপ। বিশেষ করে পাঁচবিবি উপজেলায় শিখার শক্ত অবস্থান দুই প্রধান প্রার্থীর জন্যই মাথাব্যথার কারণ হয়ে উঠেছে।

সর্বশেষ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে পাঁচবিবি উপজেলায় বিপুল ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন সাবেকুন নাহার শিখা। সেই নির্বাচনী অভিজ্ঞতা ও স্থানীয় গ্রহণযোগ্যতা এবারের সংসদ নির্বাচনে তাঁকে বাড়তি সুবিধা দিচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।
এদিকে বিএনপির ভেতরে দীর্ঘদিনের গ্রুপিং ও অভ্যন্তরীণ কোন্দল শিখার পক্ষে যাওয়ার সম্ভাব্য ভোটের পথ আরও প্রশস্ত করছে। দলীয় মনোনয়ন নিয়ে অসন্তুষ্ট একটি বড় অংশের ভোট স্বতন্ত্র প্রার্থীর দিকে ঝুঁকতে পারে—এমন আলোচনা মাঠপর্যায়ে জোরালো হচ্ছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, “যে প্রার্থী নতুন ভোটারদের আস্থা অর্জন করতে পারবে, সেই প্রার্থীর হাতেই শেষ পর্যন্ত জয় যাবে।”
সব মিলিয়ে জয়পুরহাট–১ আসনে নির্বাচনী হিসাব-নিকাশ বদলাচ্ছে ক্ষণে ক্ষণে। ঐতিহ্যবাহী ভোটব্যাংক, নতুন ভোটারের বিশাল অংশ এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেকুন নাহার শিখার শক্ত অবস্থান—এই তিন ফ্যাক্টরের সমন্বয়েই এবারের নির্বাচন হয়ে উঠেছে অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ও অনিশ্চিত।

Leave a Reply

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিতঃ জয়পুর কণ্ঠ
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট