1. wjoypurkantha@gmail.com : জয়পুর কণ্ঠ : জয়পুর কণ্ঠ
  2. info@www.joypurkantha.com : জয়পুর কণ্ঠ :
শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:২৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বগুড়ায় ডিবি পুলিশ পরিচয়ে সিএনজি চালককে অপহরণ, মুক্তিপণ দাবি; ৩ অপহরণকারী গ্রেপ্তার মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির মনোনয়ন পাওয়ায় জয়পুরহাটে আনন্দ মিছিল পাঁচবিবির শিরতা দাখিল মাদ্রাসা আকস্মিক পরিদর্শনে এমপি ফজলুর রহমান সাঈদ কালাইয়ে কিডনি বেচাকেনা চক্রের মূলহোতা সাত্তার গ্রেপ্তার জয়পুরহাটে অনলাইন জুয়া, ডিবির জালে দুইজন গ্রেপ্তার বগুড়ায় ২৯০ পিস ইয়াবা ও নগদ টাকা উদ্ধার, স্বামী-স্ত্রী গ্রেপ্তার জয়পুরহাটে তীব্র লোডশেডিং, দুর্ভোগে কয়েক হাজার গ্রাহক জয়পুরহাটে রবিদাস সম্প্রদায়ের ১১৬ জনের মাঝে টুলবক্স বিতরণ কালাইয়ে ফ্যামিলি কার্ড কর্মী নিয়োগে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ, প্রশ্নের মুখে প্রক্রিয়া জয়পুরহাটে ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে ভয়বাহ বিপর্যয়

কালাইয়ে কিডনি বেচাকেনা চক্রের মূলহোতা সাত্তার গ্রেপ্তার

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৬
  • ২০ বার পড়া হয়েছে

ছবিঃ জয়পুর কণ্ঠ

স্টাফ রিপোর্টার:

জয়পুরহাটের কালাইয়ে কিডনি কেনাবেচার অভিযোগে দায়ের করা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি ও চক্রের অন্যতম মূলহোতা আব্দুস সাত্তারকে (৫৪) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (১২ আগস্ট) রাতে বগুড়া সদর থানার পৌর পার্ক এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

আব্দুস সাত্তার কালাই উপজেলার বহুতি গ্রামের মৃত আব্দুল জব্বার খলিফার ছেলে। কিডনি কেনাবেচা সংক্রান্ত মামলায় তার বিরুদ্ধে পাঁচটি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

গতকাল বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দুপুরে গ্রেপ্তার সাত্তারকে আদালতে পাঠানো হয়।
কিডনি বিক্রির প্রলোভনের অভিযোগ
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ থানার খুকশিয়া গ্রামের আব্দুল কাফির ছেলে মন্টু মিয়া গত ১৩ জুন জয়পুরহাটের আমলি ৫ নম্বর আদালতে কিডনি কেনাবেচার অভিযোগে ছয়জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন। পরে আদালতের নির্দেশে মামলাটি কালাই থানায় এফআইআর হিসেবে গ্রহণ করা হয়।
এজাহারে অভিযোগ করা হয়, আর্থিক সংকটে থাকা মন্টু মিয়াকে কিডনি বিক্রির বিনিময়ে ১০ লাখ টাকা দেওয়ার প্রলোভন দেখানো হয়। পরে তাকে ঢাকায় নিয়ে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করানোর পাশাপাশি পাসপোর্ট তৈরি করা হয়।

অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জানুয়ারির প্রথম দিকে তাকে ৫০ হাজার টাকা দেওয়া হয়। এরপর তাকে নেপালে নিয়ে গিয়ে Marie City Hospital-এ ভর্তি করা হয়। সেখানে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তার একটি কিডনি অপসারণ করা হয়। কয়েকদিন হাসপাতালে রাখার পর তাকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা হয়।

পরবর্তীতে চুক্তি অনুযায়ী বাকি ৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা দাবি করলে আসামিরা টাকা না দিয়ে বিভিন্নভাবে টালবাহানা করতে থাকেন বলে এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে।

দরিদ্র ও ঋণগ্রস্তদের টার্গেট করার অভিযোগ
স্থানীয়দের অভিযোগ, কালাই উপজেলায় দীর্ঘদিন ধরে কিডনি কেনাবেচাকে কেন্দ্র করে একটি দালালচক্র সক্রিয় রয়েছে। চক্রটি উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের দরিদ্র ও ঋণগ্রস্ত মানুষকে আর্থিক প্রলোভন দেখিয়ে কিডনি বিক্রিতে উৎসাহিত করে বলে অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয়ভাবে এমন নেটওয়ার্কের কার্যক্রম রয়েছে বলে অভিযোগ ওঠা এলাকাগুলোর মধ্যে মাত্রাই ইউনিয়নের ভেরেন্ডি, উলিপুর, সাতার, কুসুমসাড়া, অনিহার, ভাউজাপাতার, শিবসমুদ্র, পাইকশ্বর ও ইন্দাহার; উদয়পুর ইউনিয়নের বহুতি, মোহাইল, থল, বাগইল, মাস্তর, জয়পুর বহুতি, নওয়ানা বহুতি, দুর্গাপুর, উত্তর তেলিহার, ভুষা, কাশিপুর, বিনইল ও পূর্বকৃষ্টপুর এবং আহম্মেদাবাদ ইউনিয়নের রাঘবপুর, বোড়াই, হারুঞ্জা, নওপাড়া ও বালাইট গ্রামের নাম স্থানীয়ভাবে উঠে এসেছে।

আইনে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের কেনাবেচা নিষিদ্ধ

মানবদেহে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন আইন, ১৯৯৯ অনুযায়ী অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের ক্রয়-বিক্রয় নিষিদ্ধ। আইনের ৯ ধারায় এ ধরনের কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করা হয়েছে। একই আইনের ১০(১) ধারায় অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বিক্রি, ক্রয় বা এ কাজে সহায়তার জন্য শাস্তির বিধান রয়েছে।

কালাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম বলেন, আদালতের নির্দেশে কিডনি কেনাবেচা সংক্রান্ত মামলাটি গ্রহণের পর এজাহারভুক্ত আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হচ্ছিল। এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার রাতে বগুড়া সদর থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে আব্দুস সাত্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, কিডনি কেনাবেচার সঙ্গে জড়িত দালাল ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

Leave a Reply

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিতঃ জয়পুর কণ্ঠ
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট