1. wjoypurkantha@gmail.com : জয়পুর কণ্ঠ : জয়পুর কণ্ঠ
  2. info@www.joypurkantha.com : জয়পুর কণ্ঠ :
সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ০১:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ঈদুল আযহা উপলক্ষে কোরবানির বর্জ্য দ্রুত অপসারণে ইমামদের সহযোগিতা চাইলেন রাসিক প্রশাসক সাপাহারে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত ধামইরহাটে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহ উদ্বোধন সাপাহারে কোরবানির পশুর চামড়া সংরক্ষণে প্রশিক্ষণ কর্মসূচি জাতীয় প্রতিভা অন্বেষণে কৃতিত্বের স্বাক্ষর, পাঁচবিবির আতহার ইবতিদার সাফল্য সাপাহারে গভীর রাতে ডিবির মাদকবিরোধী অভিযান, ট্যাপেন্টাডলসহ দুই জন গ্রেফতার জয়পুরহাটে জেলা পরিষদের কার্যক্রম পর্যালোচনা সভা কালাইয়ে দুধ উৎপাদন, পরিবহন ও সংরক্ষণের উপর খামারিদের দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ লাকড়ি সরাতে গিয়ে প্রাণ গেল অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর প্রেমের বিয়ে, দাম্পত্য কলহ; শেষমেশ ঘুমন্ত স্বামীর গলায় ছুরি

আবু সাঈদ হত্যা মামলায় রায়: দুইজনের ফাঁসি, তিনজনের যাবজ্জীবন

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৭৯ বার পড়া হয়েছে

ছবি: সংগৃহীত

কণ্ঠ ডেস্কঃ ৯ এপ্রিল ২০২৬

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যা মামলায় ঐতিহাসিক রায় দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। বহুল আলোচিত এ মামলায় দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এই রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের অপর সদস্যরা হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
রায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন— এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়। এছাড়া যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তদের নাম রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে।

এছাড়া বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ড. হাসিবুর রশীদ, গণিত বিভাগের সাবেক সহযোগী অধ্যাপক মো. মশিউর রহমান এবং লোকপ্রশাসন বিভাগের সাবেক সহযোগী অধ্যাপক আসাদুজ্জামান মন্ডলকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অন্যান্য আসামিদেরও বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।

রায় ঘোষণার সময় গ্রেফতার থাকা ছয় আসামি ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত ছিলেন। তারা হলেন— এএসআই আমির হোসেন, সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়, ইমরান চৌধুরী, রাফিউল হাসান রাসেল ও আনোয়ার পারভেজ।

মামলার ৩০ আসামির মধ্যে ২৪ জন এখনও পলাতক রয়েছেন। তাদের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক একাধিক কর্মকর্তা ও কর্মচারীও রয়েছেন।

রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে ট্রাইব্যুনাল এলাকায় নেওয়া হয় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। পুলিশ, র‍্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিপুল সংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হয়।

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ২৪ জুন মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়। পরবর্তীতে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গ্রহণ, সাক্ষ্যগ্রহণ ও যুক্তিতর্ক শেষে দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আজ এ রায় ঘোষণা করা হয়। মামলায় মোট ২৫ জন সাক্ষী সাক্ষ্য প্রদান করেন, যার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী ছিলেন আন্দোলনের সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ।

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর ঘোষিত এই রায়কে ঘিরে দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে। বিচারপ্রার্থীদের মতে, এ রায় ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় একটি গুরুত্বপূর্ণ।

Leave a Reply

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিতঃ জয়পুর কণ্ঠ
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট