1. wjoypurkantha@gmail.com : জয়পুর কণ্ঠ : জয়পুর কণ্ঠ
  2. info@www.joypurkantha.com : জয়পুর কণ্ঠ :
রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নিয়ামতপুরে বৃক্ষ রোপন কর্মসূচির আওতায় মসজিদ ও মাদ্রাসায় বৃক্ষ রোপন চিকিৎসার কথা বলে ঘরে ঢুকে প্রতিবন্ধী স্বামীর সামনে স্ত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ সাপাহারে মসজিদ ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন বগুড়ায় ডিবি পুলিশ পরিচয়ে সিএনজি চালককে অপহরণ, মুক্তিপণ দাবি; ৩ অপহরণকারী গ্রেপ্তার মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির মনোনয়ন পাওয়ায় জয়পুরহাটে আনন্দ মিছিল পাঁচবিবির শিরতা দাখিল মাদ্রাসা আকস্মিক পরিদর্শনে এমপি ফজলুর রহমান সাঈদ কালাইয়ে কিডনি বেচাকেনা চক্রের মূলহোতা সাত্তার গ্রেপ্তার জয়পুরহাটে অনলাইন জুয়া, ডিবির জালে দুইজন গ্রেপ্তার বগুড়ায় ২৯০ পিস ইয়াবা ও নগদ টাকা উদ্ধার, স্বামী-স্ত্রী গ্রেপ্তার জয়পুরহাটে তীব্র লোডশেডিং, দুর্ভোগে কয়েক হাজার গ্রাহক

জয়পুরহাটে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ৩৫০ কর্মচারি কাজ অনুপস্থিত

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ২০২ বার পড়া হয়েছে

ছবিঃ জয়পুর কণ্ঠ

স্টাফ রিপোর্টঃ বৃহস্পতিবার ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ২৭ ভাদ্র, ১৪৩২

সারাদেশজুড়ে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা- কর্মচারীদের চার দফা দাবি আদায়ের আন্দোলন চলছে। এর অংশ হিসেবে জয়পুরহাট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির (পবিস) কর্মকর্তারাও গণছুটি নিয়েছেন। বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) সমিতির ৪১১ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর মধ্যে প্রায় ৩৫০ জন কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন।

ফলে সমিতির অধীনস্থ ১০টি সাব-স্টেশনের মধ্যে ৯টিতে কোনো লোকবল ছিল না, যা বিদ্যুৎ সেবায় চরম অচলাবস্থা সৃষ্টি করেছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন জেলার প্রায় ২ লাখ ৮৮ হাজার গ্রাহক।

জয়পুরহাট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতায় রয়েছে তিনটি আঞ্চলিক কার্যালয়, একটি উপ-আঞ্চলিক কার্যালয় এবং ১০টি সাব-স্টেশন। এখানে মোট ৪১১ জন কর্মকর্তা ও কর্মচারী কর্মরত। তবে চার দফা দাবি আদায়ে আন্দোলনের অংশ হিসেবে বুধবার গণছুটি নেন ৩৫০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী। বিদ্যুৎ বিভাগের কড়া নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও তারা কাজে যোগ দেননি। অভিযোগ কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্তরা মোবাইল ফোন জমা দিয়ে চলে গেছেন, ফলে গ্রাহকদের অভিযোগ গ্রহণ ও সমাধান কার্যক্রম সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে গেছে।

জয়পুরহাট সদর দপ্তরে সকাল ১১টার দিকে গিয়ে দেখা যায়, অধিকাংশ কর্মী অনুপস্থিত। গ্রাহকরা বিভিন্ন সেবা নিতে এসে ফিরে যাচ্ছেন। অপারেশন অ্যান্ড মেইনটেন্যান্স (ও অ্যান্ড এম) বিভাগে মাত্র ৫-৬ জন কর্মকর্তা কর্মরত ছিলেন। বিভাগটির একজন প্রকৌশলী জানান, এখানে একজন এজিএমসহ মোট ২১ জন কর্মরত থাকার কথা, কিন্তু ৮ জন ছুটির দরখাস্ত দিয়ে এবং আরও ৫ জন ছুটি ছাড়াই কাজে অনুপস্থিত রয়েছেন।

পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মহাব্যবস্থাপক (জিএম) আবু উমাম মো. মাহবুবুল হক জানান, আজ ৩৫০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী কর্মস্থলে আসেননি। ৯টি সাব-স্টেশন সম্পূর্ণ লোকবলশূন্য। অভিযোগ কেন্দ্রের মোবাইল জমা দেওয়ায় সেবা কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। এ অবস্থায় নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ বজায় রাখা চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যেই আবার লোডশেডিং শুরু হয়েছে। দ্রুত সমাধান না হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে।

Leave a Reply

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিতঃ জয়পুর কণ্ঠ
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট