1. wjoypurkantha@gmail.com : জয়পুর কণ্ঠ : জয়পুর কণ্ঠ
  2. info@www.joypurkantha.com : জয়পুর কণ্ঠ :
শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:২৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ক্ষেতলালে অসহায় নারীদের মাঝে ৮৩টি বোকনা গরু বিতরণ সাপাহারে প্রাথমিক বিদ্যালয় গুলোতে তিনমাস ধরে বিকল ইন্টারনেট সংযোগ পাঁচবিবিতে দুস্থ শিক্ষার্থীদের মাঝে বাইসাইকেল ও পঙ্গু ব্যক্তিকে হুইলচেয়ার প্রদান নওগাঁর বদলগাছীতে শিক্ষা খাতের উন্নয়নে আনন্দ র‍্যালি অনুষ্ঠিত কালাইয়ে পরকীয়ার অভিযোগে চাঞ্চল্য ক্ষেতলালে পুলিশের দ্রুত অভিযানে নবম শ্রেণির ছাত্রী উদ্ধার ৷৷ বাবা-মায়ের জিম্মায় হস্তান্তর সাপাহারে কৃষকের সবজি ক্ষেত কেটে দিল দুর্বৃত্তরা সাপাহারে জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত পাঁচবিবি রেলওয়ে স্টেশনে রূপসা, সীমান্ত, কুড়িগ্রাম ও নীলসাগর এক্সপ্রেসের বিরতির দাবিতে মানববন্ধন জয়পুরহাটে জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস পালিত

কালাইয়ে সংঘর্ষের মধ্যেও আনিছুর প্যানেলের পূর্ণ বিজয়

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬
  • ৮৪ বার পড়া হয়েছে

ছবিঃ জয়পুর কণ্ঠ

মুনছুর রহমান- বিশেষ প্রতিনিধিঃ ৯ জুন ২০২৬

জয়পুরহাটের কালাইয়ের করিমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দুটি প্যানেলের কর্মী-সমর্থকের মধ্যে তুমুল সংঘর্ষ হয়েছে। এতে উভয় প্যানেলের ৯ জন আহত হয়েছে। এ সংঘর্ষের ঘটনা ৮ জুন সোমবার বেলা আড়াইটার দিকে উপজেলার করিমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ চলাকালে ঘটেছে। স্থানীয় লোকজন আহতদের বিভিন্ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেছে। পুলিশের দাবী, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে নিতে সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে এবং ভোট গ্রহণ শেষ হয়েছে। আহতরা হলেন, প্রার্থী শেখ শাহাঙ্গীর আলম ও তার কর্মী-সমর্থক শেখ হাবিবুর রহমান, মিথন মন্ডল, ইউসুফ আলী এবং অপর প্যানেলের সাদিক হোসেন, মুনছুর রহমান, জুয়েল রানা, রশিদুল ইসলাম ও রানা মিয়া। প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার জিন্দারপুর ইউনিয়নে করিমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি গঠণের জন্য চারজন অভিভাবক সদস্যর নাম নিদ্ধারণ করতে নির্বাচনের আয়োজন করেন কর্তৃপক্ষ। নির্বাচনে আনিছুর রহমান ও শেখ শাহাঙ্গীর আলমের নেতৃত্বে দুটি প্যানেলে ৮ জন এবং স্বতন্ত্র একজন প্রার্থী অংশগ্রহণ করেন। প্রচার-প্রচারণা শেষে সোমবার সকাল ৯ টা থেকে ভোট গ্রহণ শুরু হয়। ভোটার সংখ্যা ৩৪০ জন। এরইমধ্যে ভোট গ্রহণ চলাকালে দুপুর আড়াইটার দিকে লাইনে এক ভোটারের সাথে কথা বলাকে কেন্দ্র প্রতিদ্বন্দী দুই প্যানেলের কর্মী-সমর্থকের মধ্যে বাকবিতন্ডার একপর্যায়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে প্রার্থী শেখ শাহাঙ্গীর আলমসহ দুই প্যানেলের ৯ জন আহত হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রত্যক্ষদর্শী ছাইদুর রহমান বলেন, দুই প্যানেলের লোকজনই বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত। আজকের যে ঘটনা তা নতুন কিছু নয়, ভোট অছিলা মাত্র। আসলে মারামারির ঘটনা পূর্বপরিকল্পিত।
আহত প্রার্থী শেখ শাহাঙ্গীর আলম বলেন, আনিছুর প্যানেলের লোকজন পরাজয় ভেবে ভোটের আগে থেকে আমার লোকজনকে হুমকি দিয়ে আসছে। আজ আবার আমাকেসহ আমার লোকজনকে মারপিট করেছে। আমি মামলা অবশ্যই করবো।  প্রতিপক্ষ অপর প্যানেলের প্রার্থী আনিছুর রহমান বলেন, সত্যর জয় হবেই হবে। শেখ শাহাঙ্গীর আলম যতই বাহানা করুক না কেন, ওর মাফ নেই। ওর চেয়ে আমার বেশী লোকজন মার খেয়ে আহত হয়েছে। আগে লোকজনদের চিকিৎসা দেই, তারপর আমিও ওদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করবো।

প্রিজাইডিং কর্মকর্তা উপজেলা সহকারি শিক্ষা অফিসার মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, বাহিরে মারপিটের ঘটনা হলেও আমি ভোট গ্রহণ বন্ধ করি নাই। ভোট গ্রহণ শেষে ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। ফলাফলে আনিছুর রহমানের পূর্ণ প্যানেল বিজয়ী হয়েছে। বিজয়ী অভিভাবক সদস্যারা হলেন মোঃ আনিছুর রহমান,মোফাজ্জল হোসেন,সোনিয়া খাতুন,ও বিউটি খাতুন। কালাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম জানান, সংঘর্ষের ঘটনায় এখনো কোনো মামলা হয়নি। কোনো পক্ষ অভিযোগ বা মামলা করলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

কালাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামিম আরা বলেন, মারামারির খবর পেয়েছি। পুলিশ পরিবেশ শান্ত করেছে। ভোট গ্রহণে সংশ্লিষ্টরা ভোট গ্রহণ শেষে ফলাফল প্রকাশ করে উপজেলায় ফিরে এসেছে। মারপিটের ঘটনায় অভিযোগ পেলে বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Leave a Reply

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিতঃ জয়পুর কণ্ঠ
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট