1. wjoypurkantha@gmail.com : জয়পুর কণ্ঠ : জয়পুর কণ্ঠ
  2. info@www.joypurkantha.com : জয়পুর কণ্ঠ :
শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ০২:২১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ক্ষেতলালে অসহায় নারীদের মাঝে ৮৩টি বোকনা গরু বিতরণ সাপাহারে প্রাথমিক বিদ্যালয় গুলোতে তিনমাস ধরে বিকল ইন্টারনেট সংযোগ পাঁচবিবিতে দুস্থ শিক্ষার্থীদের মাঝে বাইসাইকেল ও পঙ্গু ব্যক্তিকে হুইলচেয়ার প্রদান নওগাঁর বদলগাছীতে শিক্ষা খাতের উন্নয়নে আনন্দ র‍্যালি অনুষ্ঠিত কালাইয়ে পরকীয়ার অভিযোগে চাঞ্চল্য ক্ষেতলালে পুলিশের দ্রুত অভিযানে নবম শ্রেণির ছাত্রী উদ্ধার ৷৷ বাবা-মায়ের জিম্মায় হস্তান্তর সাপাহারে কৃষকের সবজি ক্ষেত কেটে দিল দুর্বৃত্তরা সাপাহারে জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত পাঁচবিবি রেলওয়ে স্টেশনে রূপসা, সীমান্ত, কুড়িগ্রাম ও নীলসাগর এক্সপ্রেসের বিরতির দাবিতে মানববন্ধন জয়পুরহাটে জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস পালিত

দুই পা অচল—তবু থামেননি রহিমঃ কিডনি রোগের কষ্ট নিয়েও দায়বদ্ধতার সঙ্গে লড়ে যাচ্ছেন গ্রাফিক্স ডিজাইনার

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: শনিবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ২৭৫ বার পড়া হয়েছে

ছবিঃ জয়পুর কণ্ঠ

স্টাফ রিপোর্টারঃ ৬ ডিসেম্বর ২০২৫

দুর্ঘটনায় দুই পা হারিয়েছেন চলার শক্তি, নেই পৈত্রিক সম্পত্তি, সংসারে মা–স্ত্রী–সন্তানসহ পাঁচজনের দায়িত্ব—এসব প্রতিকূলতার মাঝেও থেমে যাননি জয়পুরহাটের মো. আব্দুর রহিম। অদম্য মনোবল ও ইচ্ছাশক্তিকে সঙ্গী করে হুইলচেয়ারে চলাফেরা করেই প্রতিদিন নিয়মিত কর্মস্থলে হাজির হন তিনি।

গ্রাফিক্স ডিজাইনের কাজ—ব্যানার, পোস্টার, লোগো, ডিজিটাল কার্ডসহ নানান ডিজাইন দক্ষতা ও সময়নিষ্ঠতার কারণে স্থানীয় ব্যবসায়ী মহলে রহিম আজ আস্থার প্রতীক।

তবে সাম্প্রতিক কিডনি রোগ তার জীবনে নতুন সংকট ডেকে এনেছে। শারীরিক দুর্বলতা ও দীর্ঘ চিকিৎসার কারণে নিয়মিত কাজ করতে পারছেন না। মাসে শুধুই পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও ওষুধে খরচ হয় প্রায় ৬ হাজার টাকা—যা তার জন্য বড় চাপ।

রহিম বলেন, “দুই পা অচল হয়ে জীবনযুদ্ধ চালানো সহজ নয়। কিন্তু আমি ভাগ্যবান—হোচিমিন ভাই আর পাইলট ভাই শুধু বেতনই দেন না, সবসময় মানসিক ও আর্থিকভাবে পাশে থাকেন। তাদের সহায়তাই আমাকে বাঁচিয়ে রাখে।”

দোকান মালিক পাইলট জানান, “রহিম শুধু আমাদের কর্মী নন—পরিবারের একজন সদস্যের মতো। অসুস্থ অবস্থাতেও তার কাজের দায়িত্ববোধ সত্যিই অনুপ্রেরণাদায়ক। সমাজের সামর্থ্যবানরা যদি এগিয়ে আসে, রহিমের মতো আরও অনেকে আত্মনির্ভর হতে পারবে।”

প্রতিবেশীরাও বলেন, সীমাবদ্ধতা নয়, রহিমের ইচ্ছাশক্তিই তার পরিচয়। সামান্য সহায়তা পেলে তিনি সুস্থ হয়ে আরও বড় পরিসরে কাজ করতে পারবেন এবং প্রতিবন্ধীদের কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রেও অবদান রাখতে পারবেন।

উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মো. সাজেদুর রহমান বলেন, “দুই পা অচল হলেও যে মেধা ও পরিশ্রম দিয়ে পরিবারের ভরসা হতে হয়—রহিম সেটার বাস্তব উদাহরণ। তিনি সত্যিকারের প্রেরণা।”

অদম্য সাহস, দায়িত্ববোধ ও আত্মসম্মান—এই তিন শক্তিকে পাশে নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন মো. আব্দুর রহিম। তিনি প্রমাণ করে দিয়েছেন, মানুষের সীমাবদ্ধতা শরীরে নয়—মনোবলেই আসল শক্তি।

Leave a Reply

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিতঃ জয়পুর কণ্ঠ
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট