1. wjoypurkantha@gmail.com : জয়পুর কণ্ঠ : জয়পুর কণ্ঠ
  2. info@www.joypurkantha.com : জয়পুর কণ্ঠ :
শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:০৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ক্ষেতলালে অসহায় নারীদের মাঝে ৮৩টি বোকনা গরু বিতরণ সাপাহারে প্রাথমিক বিদ্যালয় গুলোতে তিনমাস ধরে বিকল ইন্টারনেট সংযোগ পাঁচবিবিতে দুস্থ শিক্ষার্থীদের মাঝে বাইসাইকেল ও পঙ্গু ব্যক্তিকে হুইলচেয়ার প্রদান নওগাঁর বদলগাছীতে শিক্ষা খাতের উন্নয়নে আনন্দ র‍্যালি অনুষ্ঠিত কালাইয়ে পরকীয়ার অভিযোগে চাঞ্চল্য ক্ষেতলালে পুলিশের দ্রুত অভিযানে নবম শ্রেণির ছাত্রী উদ্ধার ৷৷ বাবা-মায়ের জিম্মায় হস্তান্তর সাপাহারে কৃষকের সবজি ক্ষেত কেটে দিল দুর্বৃত্তরা সাপাহারে জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত পাঁচবিবি রেলওয়ে স্টেশনে রূপসা, সীমান্ত, কুড়িগ্রাম ও নীলসাগর এক্সপ্রেসের বিরতির দাবিতে মানববন্ধন জয়পুরহাটে জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস পালিত

প্রখ্যাত শিল্পী ফরিদা পারভীন আর নেই

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ২১৯ বার পড়া হয়েছে

ছবিঃ সংগৃহীত

কণ্ঠ ডেক্সঃ রবিবার ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ৩০ ভাদ্র ১৪৩২

বরেণ্যশিল্পী ফরিদা পারভীন মারা গেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন)। শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টা ১৫ মিনিটে তিনি মারা যান।

খবরটি নিশ্চিত করেন ইউনিভার্সাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ব্যস্থাপনা পরিচালক আশীষ কুমার চক্রবর্তী।

মৃত্যুকালে ফরিদা পারভীনের বয়স হয়েছিল ৭৩। তিনি স্বামী এবং ৪ সন্তান রেখে গেছেন।

ফরিদা পারভীন দীর্ঘদিন ধরে কিডনি জটিলতায় ভুগছিলেন। কিছুদিন ধরে পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে এসে দাঁড়িয়েছে, সপ্তাহে দুই দিন তাকে ডায়ালাইসিস করাতে হয়। নিয়মিত ডায়ালাইসিসের অংশ হিসেবে ২ সেপ্টেম্বর মহাখালীর ইউনিভার্সাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয় তাকে। কিন্তু ডায়ালাইসিসের পর তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়।

তখন চিকিৎসক তাকে হাসপাতালে ভর্তি করানোর পরামর্শ দেন। এরপর থেকে তিনি হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন। গত বুধবার অবস্থার অবনতি হলে তাকে ভেন্টিলেশনে রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। অবশেষে চিকিৎসকদের সব চেষ্টা ব্যর্থ করে তিনি চলে যান না–ফেরার দেশে।

১৯৫৪ সালে ৩১ ডিসেম্বর নাটোরের সিংড়া থানায় জন্ম নেন ফরিদা পারভীন। গানে গানে কাটিয়েছেন ৫৫ বছর। মাত্র ১৪ বছর বয়সে ১৯৬৮ সালে ফরিদা পারভীনের পেশাদার সংগীতজীবন শুরু হয়।

ওই বছর রাজশাহী বেতারের তালিকাভুক্ত শিল্পী হিসেবে নজরুলসংগীত গেয়ে সংগীতাঙ্গনে পথচলা শুরু করেন তিনি। ১৯৭৩ সালে দেশাত্মবোধক গান গেয়ে জনপ্রিয়তা পান তিনি। পরে সাধক মোকসেদ আলী শাহর কাছে লালনগীতির তালিম নেন এবং ধীরে ধীরে হয়ে ওঠেন লালনগীতির জীবন্ত কিংবদন্তি।

ফরিদা পারভীন সংগীতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ১৯৮৭ সালে লাভ করেন একুশে পদক। পাশাপাশি নতুন প্রজন্মকে লালনের গান শেখাতে গড়ে তোলেন ‘অচিন পাখি স্কুল’।

 

Leave a Reply

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিতঃ জয়পুর কণ্ঠ
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট