1. wjoypurkantha@gmail.com : জয়পুর কণ্ঠ : জয়পুর কণ্ঠ
  2. info@www.joypurkantha.com : জয়পুর কণ্ঠ :
রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১২:১৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নিয়ামতপুরে বৃক্ষ রোপন কর্মসূচির আওতায় মসজিদ ও মাদ্রাসায় বৃক্ষ রোপন চিকিৎসার কথা বলে ঘরে ঢুকে প্রতিবন্ধী স্বামীর সামনে স্ত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ সাপাহারে মসজিদ ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন বগুড়ায় ডিবি পুলিশ পরিচয়ে সিএনজি চালককে অপহরণ, মুক্তিপণ দাবি; ৩ অপহরণকারী গ্রেপ্তার মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির মনোনয়ন পাওয়ায় জয়পুরহাটে আনন্দ মিছিল পাঁচবিবির শিরতা দাখিল মাদ্রাসা আকস্মিক পরিদর্শনে এমপি ফজলুর রহমান সাঈদ কালাইয়ে কিডনি বেচাকেনা চক্রের মূলহোতা সাত্তার গ্রেপ্তার জয়পুরহাটে অনলাইন জুয়া, ডিবির জালে দুইজন গ্রেপ্তার বগুড়ায় ২৯০ পিস ইয়াবা ও নগদ টাকা উদ্ধার, স্বামী-স্ত্রী গ্রেপ্তার জয়পুরহাটে তীব্র লোডশেডিং, দুর্ভোগে কয়েক হাজার গ্রাহক

প্রখ্যাত শিল্পী ফরিদা পারভীন আর নেই

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ২০৫ বার পড়া হয়েছে

ছবিঃ সংগৃহীত

কণ্ঠ ডেক্সঃ রবিবার ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ৩০ ভাদ্র ১৪৩২

বরেণ্যশিল্পী ফরিদা পারভীন মারা গেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন)। শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টা ১৫ মিনিটে তিনি মারা যান।

খবরটি নিশ্চিত করেন ইউনিভার্সাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ব্যস্থাপনা পরিচালক আশীষ কুমার চক্রবর্তী।

মৃত্যুকালে ফরিদা পারভীনের বয়স হয়েছিল ৭৩। তিনি স্বামী এবং ৪ সন্তান রেখে গেছেন।

ফরিদা পারভীন দীর্ঘদিন ধরে কিডনি জটিলতায় ভুগছিলেন। কিছুদিন ধরে পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে এসে দাঁড়িয়েছে, সপ্তাহে দুই দিন তাকে ডায়ালাইসিস করাতে হয়। নিয়মিত ডায়ালাইসিসের অংশ হিসেবে ২ সেপ্টেম্বর মহাখালীর ইউনিভার্সাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয় তাকে। কিন্তু ডায়ালাইসিসের পর তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়।

তখন চিকিৎসক তাকে হাসপাতালে ভর্তি করানোর পরামর্শ দেন। এরপর থেকে তিনি হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন। গত বুধবার অবস্থার অবনতি হলে তাকে ভেন্টিলেশনে রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। অবশেষে চিকিৎসকদের সব চেষ্টা ব্যর্থ করে তিনি চলে যান না–ফেরার দেশে।

১৯৫৪ সালে ৩১ ডিসেম্বর নাটোরের সিংড়া থানায় জন্ম নেন ফরিদা পারভীন। গানে গানে কাটিয়েছেন ৫৫ বছর। মাত্র ১৪ বছর বয়সে ১৯৬৮ সালে ফরিদা পারভীনের পেশাদার সংগীতজীবন শুরু হয়।

ওই বছর রাজশাহী বেতারের তালিকাভুক্ত শিল্পী হিসেবে নজরুলসংগীত গেয়ে সংগীতাঙ্গনে পথচলা শুরু করেন তিনি। ১৯৭৩ সালে দেশাত্মবোধক গান গেয়ে জনপ্রিয়তা পান তিনি। পরে সাধক মোকসেদ আলী শাহর কাছে লালনগীতির তালিম নেন এবং ধীরে ধীরে হয়ে ওঠেন লালনগীতির জীবন্ত কিংবদন্তি।

ফরিদা পারভীন সংগীতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ১৯৮৭ সালে লাভ করেন একুশে পদক। পাশাপাশি নতুন প্রজন্মকে লালনের গান শেখাতে গড়ে তোলেন ‘অচিন পাখি স্কুল’।

 

Leave a Reply

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিতঃ জয়পুর কণ্ঠ
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট